'অধিত্যকা' অর্থ পর্বতের উপরের সমতল ভূমি। এর বিপরীত 'উপত্যকা' যার অর্থ দুই পর্বতের মধ্যবর্তী নিম্নভূমি।
'কৃষ্টি' শব্দটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত। এর সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো √কৃষ্ + তি (ক্তি)।
'ঐহিক' অর্থ ইহকাল সম্বন্ধীয়। এর সঠিক বিপরীত শব্দ 'পারত্রিক' যার অর্থ পরকাল সম্বন্ধীয়।
সঠিক বানান 'যন্ত্রণা' (মূর্ধন্য-ণ হবে)। 'যন্ত্রনা' ভুল বানান।
'প্রানী' বানানটি ভুল। সঠিক বানান 'প্রাণি' বা 'প্রাণী'। 'প্রানী'-তে 'প্রা'-এর আ-কার ও ণ উভয়ই ভুল হতে পারে।
প্রাচীনকালে বাংলার আদি অধিবাসীরা অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্যভাষা নামে পরিচিত। বাহ্যিক অর্থ সহজবোধ্য হলেও গভীর আধ্যাত্মিক অর্থ রয়েছে।
'সবুজপত্র' (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী ('বীরবল' ছদ্মনাম)। এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলায় চলিত রীতির প্রচলন হয়।
শহীদুল জহিরের 'জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা' (১৯৮৮) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
'বাবা' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। তুর্কি শব্দের অন্য উদাহরণ: চাকু তোপ দারোগা বাবুর্চি।
'অনুকম্পা' বা 'দয়া'র ইংরেজি প্রতিশব্দ Clemency। Enthral = মুগ্ধ করা Erudition = পাণ্ডিত্য।
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালের জুনে 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড' থেকে।
সেলিম আল দীন রচিত 'কিত্তনখোলা' (১৯৮৫)-এর মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ মেলা ও যাত্রাকে কেন্দ্র করে বাংলার লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতির চিত্রায়ণ।
'সিংহ চিহ্নিত আসন' থেকে মধ্যপদ 'চিহ্নিত' লোপ পেয়ে 'সিংহাসন' হয়েছে। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
প্রতিটি সার্থক বাক্যের দুটি প্রধান অংশ: উদ্দেশ্য (Subject) ও বিধেয় (Predicate)।
'পদ্মাবতী' মধ্যযুগের কবি আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' কাব্যের অনুবাদ।
'উদ্বাসন' শব্দের অর্থ হলো নিজ বাসভূমি বা বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ বা বিতাড়ন।
যিনি ন্যায়শাস্ত্র জানেন তাকে এককথায় 'নৈয়ায়িক' বলা হয়।
একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে।
পিএসসি কর্তৃক প্রদত্ত উত্তর (গ)। 'ঋণ করা' একটি দুর্বল প্রয়োগ হিসেবে বিবেচিত; 'ঋণ নেওয়া' বা 'ধার করা' শ্রেয়।