নৈতিকতা বা নীতিবিদ্যা ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় উচিত-অনুচিত ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। তাই ভালো-মন্দ বিচার নৈতিক মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত।
মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় যা সুশাসনের একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
'Utilitarianism' গ্রন্থটি ব্রিটিশ দার্শনিক জন স্টুয়ার্ট মিল ১৮৬৩ সালে রচনা করেন। তিনি এই গ্রন্থে জেরেমি বেন্থামের উপযোগবাদকে পরিমার্জিত রূপ দেন।
১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবহার করে এবং এর বিভিন্ন উপাদান নির্ধারণ করে।
MDG মূলত দারিদ্র্য বিমোচন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের উপর জোর দিয়েছিল। এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তি "Virtue is knowledge"। তিনি বিশ্বাস করতেন মানুষ যদি জানে কোনটি সঠিক তবে সে সঠিক কাজটিই করবে।
শুদ্ধাচার (Integrity) বলতে নৈতিকতা ও সততার নীতির প্রতি দৃঢ় adherence এবং এর দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে বোঝায়।
ধর্ম সমাজ রাষ্ট্র ইত্যাদি মূল্যবোধের বাহ্যিক উৎস হলেও মানুষের অভ্যন্তরীণ বিবেক বা নৈতিক চেতনাই হলো মূল্যবোধের মূল উৎস।
জার্মান দার্শনিক ইমানুয়েল কান্ট 'শর্তহীন আদেশ' বা 'Categorical Imperative'-এর ধারণা দেন যা কোনো শর্ত বা ফলাফলের উপর নির্ভর না করে নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক।
আইনের শাসন (Rule of Law) হলো সুশাসনের মূল ভিত্তি। এর অর্থ সকলেই আইনের অধীন ও আইনের চোখে সমান। এটি ছাড়া স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও গণতন্ত্র অর্থহীন হয়ে পড়ে।