'শেষের কবিতা' (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথের রোমান্টিক উপন্যাস। বলাকা=কাব্য ডাকঘর=নাটক।
'ধূমকেতু' নজরুলের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে প্রকাশিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা।
'রাখালী' (১৯২৭) জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ। 'কবর' কবিতা এতে আছে।
'রাইফেল রোটি আওরাত' (১৯৭৩) আনোয়ার পাশার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
'জঙ্গম' = গতিশীল। বিপরীত 'স্থাবর' = স্থির/নিশ্চল।
'উৎকর্ষ' নিজেই বিশেষ্য। পুনরায় 'তা' প্রত্যয় বাহুল্য দোষ।
'না' এখানে হ্যাঁ-সূচক উত্তর প্রত্যাশা করে প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত — প্রশ্নবোধক।
'মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০) নজরুলের উপন্যাস। আলেয়া ঝিলিমিলি মধুমালা নাটক।
'মা যে জননী কান্দে' (১৯৬৩) জসীমউদ্দীনের কাহিনীকাব্য।
'বহিপীর' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক (১৯৬০)।
'মাথায় হাত বোলানো' এখানে প্রতারণা করা বা ফাঁকি দেওয়া অর্থে।
'পথের দাবী' (১৯২৬) ব্রিটিশবিরোধী মনোভাবের কারণে বাজেয়াপ্ত হয়।
'ভবিষ্যতের বাঙালি' এস ওয়াজেদ আলীর প্রবন্ধ গ্রন্থ।
'আষাঢ়'-এ স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত — নিত্য মূর্ধন্য-ষ।
বাংলা চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত উক্তি।
'অক্ষির সমীপে' = চোখের সামনে = 'সমক্ষ'।
উপসর্গ = শব্দের পূর্বে। প্রত্যয় = শব্দের পরে।
'কী' প্রশ্নবাচক সর্বনাম — বিশেষ্যের পরিবর্তে বসেছে।
'কোথায় রাখিনাই?' → 'আকাশে' → স্থানাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি।