'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৫৯) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ।
'প্রভাবতী সম্ভাষণ' বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা। রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) বাংলায় সনেট প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম সনেট সংকলন।
'বিষের বাঁশী' (১৯২৪) নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
'কবর' ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক একাঙ্কিকা। মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে জেলে বসে রচনা করেন।
'চাঁদের হাট' বাগধারার অর্থ প্রিয়জনদের আনন্দময় সমাগম।
শুদ্ধ বানান 'শুচিস্মিতা' = শুচি (পবিত্র) + স্মিতা (মৃদু হাসি)।
'কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই' — এক কথায় 'অক্লান্ত কর্মী'।
ণ-ত্ব বিধান শুধু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে প্রযোজ্য।
কিছু ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদ উহ্য বা অনুক্ত থাকতে পারে। যেমন 'রফিক' (আমার নাম রফিক — হয়/ছিল উহ্য)।
'তুমি যাও' আদেশ বা অনুমতি সূচক — অনুজ্ঞা ক্রিয়াপদ।
এই প্রবাদে 'মুখ' বলতে যোগ্যতা বা শক্তি বোঝানো হয়েছে।
'মুমূর্ষু' শুদ্ধ বানান — অর্থ মরণাপন্ন।
'বিরাগী' = আসক্তিহীন বা সাংসারিক বিষয়ে উদাসীন।
'ব্রজবুলি' মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে গড়া কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। বৈষ্ণব পদকর্তারা ব্যবহার করতেন।
মধ্যযুগের বৈষ্ণব কবি চণ্ডীদাসের বিখ্যাত মানবতাবাদী উক্তি।
'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) রবীন্দ্রনাথের সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
'কয়েকটি কবিতা' (১৯৩৬) কবি সমর সেনের কাব্যগ্রন্থ।
'সাজাহান' (১৯০৯) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক।
'আবোল তাবোল' (১৯২৩) সুকুমার রায়ের বিখ্যাত ননসেন্স ছড়ার সংকলন।