মাত্রাবিহীন বর্ণ ১০টি: এ ঐ ও ঔ (৪টি স্বরবর্ণ) + ঙ ঞ ং ঃ ঁ ৎ (৬টি ব্যঞ্জনবর্ণ)।
দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' দিয়ে যুক্ত → যৌগিক বাক্য।
'একাদশে বৃহস্পতি' = সৌভাগ্যের সময় বা পোয়াবারো।
'কবিরাজ' নিত্য-পুরুষবাচক শব্দ — এর স্ত্রীবাচক রূপ নেই।
সাধু ভাষা গুরুগম্ভীর তাই নাটকের স্বাভাবিক সংলাপে অনুপযোগী।
'ননদ' এর দুটি পুরুষবাচক রূপ: 'দেবর' ও 'ভাসুর'।
বিভক্তিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত নাম শব্দকে 'প্রাতিপদিক' বলে।
'কাল একবার এসো' বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছে।
ধাতু + 'আও' = ভাববাচক বিশেষ্য। যেমন: √চড়্ + আও = চড়াও। ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে 'আই' এবং আও' এই দুটি প্রত্যয়ই ব্যবহৃত হয়।
বচন = বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যার ধারণা (একবচন বা বহুবচন)।
'মরি মরি' বিস্ময়ের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে — অনন্বয়ী অব্যয় (Interjection)।
'দোলনা' = √দুল্ + অনা।
'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' = ঝুঁকি না নিয়ে চতুরতার সাথে কাজ হাসিল।
সন্ধি দুটি ধ্বনির মিলন সংক্রান্ত তাই ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য।
'দাম' অপ্রাণীবাচক বহুবচনে ব্যবহৃত। যেমন: কুসুমদাম।
সন্ধির ফলে উচ্চারণ সহজ ও শ্রুতিমধুর হয়।
'সমীচীন' শুদ্ধ — উভয় স্থানে দীর্ঘ ঈ-কার।
'দোলন-চাঁপা' নজরুলের কাব্যগ্রন্থ। বাকিগুলো রবীন্দ্রনাথের।
'আবদুল্লাহ' তৎকালীন বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের গোঁড়ামি ও আধুনিকতার দ্বন্দ্ব চিত্রিত।
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে 'কবর' নাটক মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাগারে রচনা করেন।