ধ্বনি হলো ভাষার উচ্চারিত রূপ যা শ্রবণযোগ্য কিন্তু অদৃশ্য। ধ্বনিকে লেখার জন্য যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বর্ণ বলে। বর্ণই দৃশ্যমান।
যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকে তাকে স্বরান্ত বা মুক্তাক্ষর (Open Syllable) বলে। যেমন 'আ-মা-র' শব্দে 'আ' ও 'মা' হলো মুক্তাক্ষর।
'শিরশ্ছেদ' বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ। 'দরিদ্রতা' শুদ্ধ শব্দ। 'সমীচীন' অর্থ যথার্থ এর দুটিই দীর্ঘ ঈ-কার।
আরবি 'ক্বালাম' শব্দটি গ্রিক 'কালামোস' (Kalamos) থেকে এসেছে যার অর্থ নলখাগড়া বা লেখার কলম।
প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুকুমার সেন তাঁর 'ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থে এই মন্তব্যটি করেছেন।
পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দ্য আস্সুম্পসাঁও ১৭৩৪ সালে বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন। এটি পর্তুগিজ ভাষায় লেখা এবং ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়।
জিহ্বার অবস্থান ও উচ্চতা অনুযায়ী 'এ' (e) ধ্বনিটি একটি উচ্চ-মধ্য সম্মুখ স্বরধ্বনি।
তাম্বুলিক অর্থ পান বিক্রেতা। পর্ণকার ও বারুই একই অর্থ বহন করে। 'তামসিক' অর্থ তমোগুণ সম্পন্ন বা অলস যা সমার্থক নয়।
যে অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সাথে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে ভাব প্রকাশ করে তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। এখানে 'তো' জোর বা বিস্ময় প্রকাশে ব্যবহৃত হয়েছে।
যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থ একই তাকে যৌগিক শব্দ বলে। 'মিতালি' (মিতা + আলি) শব্দের অর্থ মিতার ভাব যা তার ব্যুৎপত্তিগত অর্থকেই অনুসরণ করে।
বাক্যটিতে তিনটি বানান ভুল: সুনামি (সঠিক) তাণ্ডব (সঠিক) ও সর্বস্বান্ত (সঠিক) হওয়া উচিত ছিল।
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত পদের সঙ্গে যে পদের সমাস হয় তাকে উপপদ বলে। যেমন 'পকেটমার' এ 'মার' কৃদন্ত পদের উপপদ হলো 'পকেট'।
'কী' যখন উত্তর হ্যাঁ/না বাদে অন্য কিছু হয় তখন তা সর্বনাম পদ। এখানে 'নাম' জানতে চাওয়া হয়েছে তাই 'কী' একটি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
'সরল' এর বিপরীত শব্দ কুটিল জটিল বক্র। 'গরল' অর্থ বিষ এর বিপরীত শব্দ অমৃত।
'Rank' শব্দের উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো পদমর্যাদা বা পর্যায়।
ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার ও প্রকাশ করেন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।
'গীতগোবিন্দ' কাব্যের রচয়িতা জয়দেব সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনের পঞ্চরত্নের একজন ছিলেন।
মধ্যযুগের কবি যশোরাজ খান হোসেন শাহের সেনাপতি ছিলেন। তিনি ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনা করে খ্যাতি লাভ করেন।
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ সাবিরিদ খাঁ ও সৈয়দ সুলতান যুদ্ধকাব্য রচনা করেছেন। সৈয়দ নূরুদ্দীন 'দোহাকোষ' রচনা করেন।
কবি জৈনুদ্দিনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'রসুল বিজয়'। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের সভাকবি ছিলেন।