'বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ' গবেষণা গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও গবেষক বিনয় ঘোষ।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা গদ্যে শিল্পগুণ ও সাহিত্যরস সঞ্চার করেন। তাই তাকে বাংলা সাহিত্যিক গদ্যের জনক বলা হয়।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে খ্যাত 'আলালের ঘরের দুলাল' 'মাসিক পত্রিকা'-য় প্রকাশের পর ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
শচীশ দামিনী শ্রীবিলাস ও জ্যাঠামশাই জগমোহন - এই চারটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথ 'চতুরঙ্গ' (১৯১৬) উপন্যাসটি রচনা করেন।
উক্তিটি যুগসন্ধিক্ষণের কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'বড়দিন' কবিতা থেকে নেওয়া। এতে সমকালীন বাঙালি সমাজের ইংরেজপ্রীতির প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে।
মীর মশাররফ হোসেন তার 'গো-জীবন' (১৮৮৯) প্রবন্ধে গরু কোরবানিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হিন্দু-মুসলিম বিরোধের অবসান চেয়েছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৬ বছর বয়সে 'ভিখারিণী' (১৮৭৭) ছোটগল্পটি রচনার মাধ্যমে প্রথম ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
'ইছামতি' বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। মেঘমল্লার মৌরিফুল ও যাত্রাবদল তার গল্পগ্রন্থ।
'আমার পথ' প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুদ্র-মঙ্গল' (১৯২৬) প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
'জীবন ও বৃক্ষ' প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা ও প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসার কারণে রবীন্দ্রনাথকে 'তপোবন-প্রেমিক' বলেছেন।
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের এই উক্তিতে তিনি তার জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের কথা উল্লেখ করেছেন।
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা জেলার গোটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
অমিত্রাক্ষর ছন্দ অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই একটি রূপ যেখানে চরণের শেষে মিল থাকে না কিন্তু প্রতি চরণে ১৪ মাত্রার বিন্যাস ঠিক থাকে।
'বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮) কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নাগরিক কবি শামসুর রাহমান।
'দুর্দিনের দিনলিপি' হলো সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ আবুল ফজলের লেখা একটি স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।