ই (i) এবং উ (u) হলো উচ্চ স্বরধ্বনি কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের তালুর সবচেয়ে কাছাকাছি বা উচ্চ অবস্থানে থাকে।
বাংলাদেশের আদিম অধিবাসী কোল মুন্ডা প্রভৃতি অনার্য জাতির ব্যবহৃত শব্দগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। যেমন: কুলা গঞ্জ চোঙ্গা ডাব ইত্যাদি।
'ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব' গ্রন্থটি প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত। এটি বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ আকর গ্রন্থ।
বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুইটি: ঐ (অ+ই) এবং ঔ (অ+উ)।
'শাখামৃগ' এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ 'শাখায় বিচরণকারী পশু' হলেও এটি কেবল 'বানর' অর্থে ব্যবহৃত হয়। এটি যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ।
'বিদ্রোহী' শব্দটি 'বি' উপসর্গযোগে গঠিত হয়েছে (বি + দ্রোহ + ঈ)। অন্য শব্দগুলোতে উপসর্গ নেই।
'সরোবরে' শব্দটিতে 'এ' বিভক্তি (অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি) যুক্ত হয়েছে।
'ঐকিক' শব্দটি 'এক' + 'ইক' প্রত্যয়যোগে গঠিত। ভাইবোন দ্বন্দ্ব সমাস রাজপথ তৎপুরুষ সমাস।
এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম। অ বা আ-কারের পর বিসর্গের পরে চ বা ছ থাকলে বিসর্গের স্থলে শ হয়। শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।
'নীল করে যে' - এই ব্যাসবাক্যে 'কর' কৃদন্ত পদ এবং তার উপপদ 'নীল'। তাই এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
'Pedagogy' বলতে শিক্ষাদান পদ্ধতি বা শিক্ষাবিজ্ঞানকে বোঝায়। এর সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো 'শিক্ষাতত্ত্ব' বা 'শিক্ষা বিজ্ঞান'।
'বঙ্কিম' অর্থ বাঁকা বা কুটিল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো 'ঋজু' যার অর্থ সোজা বা সরল।
বাংলা একাডেমি প্রথম 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' প্রণয়ন করে ১৯৯২ সালে। পরবর্তীতে এর বিভিন্ন সংস্করণ ও পরিমার্জন করা হয়েছে।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম শব্দে উ-কার ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'মুলা' সবচেয়ে সঠিক।
'তটিনী' নদীর একটি সমার্থক শব্দ। সিন্ধু = সাগর হিল্লোল = ঢেউ এবং নির্ঝর = ঝর্ণা।
চর্যাপদের কবিরা বৌদ্ধ ধর্মের মহাযান শাখার অনুসারী এবং সহজযান বা সহজিয়া পন্থের সাধক ছিলেন।
'শূন্যপুরাণ' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এর রচয়িতা রামাই পণ্ডিত।
বসন্তরঞ্জন রায় ১৯০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের গোয়ালঘর থেকে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
এই বিখ্যাত উক্তিটি কবি আব্দুল হাকিমের 'নূরনামা' কাব্যগ্রন্থের 'বঙ্গবাণী' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
মহাকবি আলাওল (আনুমানিক ১৬০৭-১৬৮০) সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভায় সাহিত্যচর্চা করেন। 'পদ্মাবতী' তার শ্রেষ্ঠ কাব্য।