২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাউল গানকে 'মানবতার অমূল্য মৌখিক ও বিমূর্ত ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
চন্ডীচরণ মুন্সী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের পণ্ডিত ছিলেন। তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'তোতা ইতিহাস' (১৮০৫)।
'রত্নপরীক্ষা' (১৮৮৬) গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এটি বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধে লেখা হয়েছিল।
স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫-১৯৩২) ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় বোন।
বঙ্কিমচন্দ্রের 'কমলাকান্তের দপ্তর'-এর একটি বিখ্যাত চরিত্র হলো 'ভীষ্মদেব খোশনবীশ'।
'নীলদর্পণ' নাটকটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'The Indigo-Planting Mirror' নামে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন। তবে এটি রেভারেন্ড জেমস লঙের নামে প্রকাশিত হয়েছিল।
'রক্তকরবী' (১৯২৬) রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত সাংকেতিক নাটক। এই নাটকের প্রধান দুটি চরিত্র নন্দিনী ও রঞ্জন।
'তৈল' বা তেল সম্পর্কিত ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধটি মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত। এতে তোষামোদের সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা আছে।
'নাম রেখেছি কোমল গান্ধার' জ্ঞানপীঠ পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি বিষ্ণু দে'র একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
ঈদের চাঁদ দেখার আনন্দ নিয়ে লেখা এই কালজয়ী গানটির গীতিকার ও সুরকার হলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
শামসুর রাহমানের উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'অদ্ভুত আঁধার এক' একটি। তার অন্যান্য উপন্যাস হলো 'অক্টোপাস' 'নিয়ত মন্তাজ' ও 'এলো সে অবেলায়'।
নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব' নামে নিজস্ব এক রীতি প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের নাট্যরীতির সমন্বয় ঘটান।
'পৃথক পালঙ্ক' (১৯৭৫) অকালপ্রয়াত কবি আবুল হাসানের তৃতীয় ও শেষ কাব্যগ্রন্থ।
শহীদুল জহির (১৯৫৩-২০০৮) বাংলা কথাসাহিত্যে জাদুবাস্তবতা বা ম্যাজিক রিয়েলিজম প্রয়োগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।