• ‘লুই ভণই গুরু পূছিঅ জাণ।’- পঙ্ক্তিটির রচয়িতা চর্যার কবি লুইপা। পঙ্ক্তিটিতে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ হলো- ‘ভণই‘ অর্থ- বলে। ‘পূছিঅ’ অর্থ- জিজ্ঞাসা করে। ‘জাণ’ অর্থ- জানো।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। এর মধ্যে প্রণয় খণ্ড নামে কোন খণ্ড নেই।
বিবৃত স্বরধ্বনি [আ] উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট সবচেয়ে বেশি খোলে।
১৭৩৪-৪২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে (প্রায় ৯-১০ বছর) তিনি শব্দ সংগ্রহ ও গ্রন্থটি রচনা করেন।
প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রতিষ্ঠিত ‘মাসিক পত্রিকা‘তে ১৮৫৪ সাল থেকে এটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে।
পঙ্ক্তিদ্বয় কামিনী রায় রচিত ‘সুখ‘ কবিতার অন্তর্গত (কাব্যগ্রন্থ: আলো ও ছায়া)।
নজরুলের বাজেয়াপ্ত ৫টি গ্রন্থ: যুগবাণী
‘কবর’ কবিতাটি কবি জসীম উদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী‘ (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে
‘Glossary’ শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো শব্দার্থপঞ্জি
‘ঐক্যমত’ শব্দটি ‘মতের ঐক্য’ অর্থে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে গঠিত হলে অশুদ্ধ নয়।
বাংলা গদ্যে বানানের বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করা হয়।
পূর্ববঙ্গীয় উচ্চারণে “স্ম” ধ্বনির শুরুতে “স” প্রায়শই “শ” ধ্বনিতে রূপ নেয়। তাই “স্মরণ” উচ্চারণ হয় “শঁরোন”।
‘গড্ডল’ একটি সংস্কৃত শব্দ
এই পঙ্ক্তিদ্বয় বৈষ্ণব কবি চণ্ডীদাসের রচনা।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ পর্বে রচিত বাংলা গদ্যপুস্তকগুলোর অধিকাংশই ছিল সংস্কৃত গ্রন্থের অনুবাদ।
‘বাংলা কাব্য’ হলো কবিতার বই। বাকি সবগুলোই হলো উপন্যাস।
এখানে ‘বিরাট’ বিশেষণটি ‘হাট’ বিশেষ্যকে বিশেষিত করছে। অর্থাৎ হাটটি বিরাট।
‘অজর’ অর্থ যা জরা বা বার্ধক্য দ্বারা আক্রান্ত হয় না। এর বিপরীত শব্দ ‘বার্ধক্য’ বা ‘জরা’।
‘কৌতূহল’ অর্থ জানার ইচ্ছা। কৌতুক করার ক্ষেত্রে ‘আগ্রহ’ বা ‘ইচ্ছা’ শব্দটি উপযুক্ত।