বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জিডিপি গণনার জন্য ৩টি বৃহৎ খাত (কৃষি শিল্প এবং সেবা) এবং এই ৩টি খাতের অধীনে মোট ১৫টি প্রধান উপ-খাতে অর্থনীতিকে বিভক্ত করেছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতের কলকাতায় ৮ নং থিয়েটার রোড ছিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর। এখান থেকেই যাবতীয় প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
মাছ চাষ (মৎস্য) কৃষি খাতের একটি উপ-খাত। অন্যদিকে বস্ত্র পাট ও সিমেন্ট শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে একযোগে পোলিওমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে।
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ১৩.০২% সবচেয়ে নিকটতম। সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই অবদান ছিল প্রায় ১১.৩৮%।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে ১৩৬তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। বঙ্গবন্ধু ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেন।
সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
'বাংলামতি' (BRRI dhan50) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল সুগন্ধি ধানের জাত। এটি দেখতে ও স্বাদে বাসমতি চালের মতো।
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের মধ্যে VAT ও আবগারি শুল্ক কর রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত এবং জরিমানা ও ফি কর-বহির্ভূত রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত। প্রদত্ত সবগুলোই সরকারের আয়ের উৎস।
স্যার সৈয়দ আহমদ খান ১৮৮৮ সালে মীরাটে এক বক্তৃতায় প্রথম হিন্দু ও মুসলিমদের দুটি পৃথক জাতি হিসেবে উল্লেখ করে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ধারণা দেন।
১৯৫৬ সালের পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন এবং তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
'জল্লাদের দরবার' নামক জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক নাটকটির রচয়িতা ছিলেন কল্যাণ মিত্র।
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন যা ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানকে বেগবান করে।
১৮৬১ সালে প্রকাশিত 'ঢাকা প্রকাশ' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
রেশম পোকা পালন ও রেশম উৎপাদন প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture) বলা হয়।
চা গাছ সরাসরি কড়া রোদ সহ্য করতে পারে না তাই চা বাগানে ছায়া প্রদানকারী বৃক্ষ লাগানো হয়। এজন্য চা-কে ছায়া প্রেমী উদ্ভিদ বলা হয়।
গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে ভুট্টা চাষের হার সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে বিশেষ করে পোল্ট্রি ও মৎস্য খাদ্যের চাহিদা মেটাতে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখের অধিক যা প্রায় ১৭ কোটি।
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি করেছে।