বাংলাদেশ সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন পালন বা প্রচারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
বাংলাদেশের GDP-তে সেবা খাতের অবদান সর্বাধিক (৫০% এর বেশি)। এরপর শিল্প এবং তারপর কৃষি খাতের অবদান।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪%।
২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন-আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় উন্নীত করে।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ একটি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট হবে যা কৃষি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল। এর লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করা।
হাশেম খানের নেতৃত্বে একটি দলের তত্ত্বাবধানে সংবিধান হাতে লেখা হয়। প্রধান ক্যালিগ্রাফার ছিলেন এ. কে. এম. আব্দুর রউফ।
১০ ২০ ৫০ ১০০ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট ব্যাংক নোট (গভর্নর স্বাক্ষরিত)। ১ ২ ও ৫ টাকার নোট সরকারি নোট (অর্থ সচিব স্বাক্ষরিত)।
সেকেন্ডারি মার্কেট হলো সেখানে যেখানে বিনিয়োগকারীরা পূর্বে ইস্যুকৃত শেয়ার বা বন্ড নিজেদের মধ্যে কেনা-বেচা করে। স্টক এক্সচেঞ্জ এর প্রধান উদাহরণ।
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস NBR কর্তৃক সংগৃহীত কর। এর মধ্যে মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়।
বেদ হলো প্রাচীন আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ও হিন্দুধর্মের মূল ভিত্তি। এটি ঋগ্বেদ সামবেদ যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ চার ভাগে বিভক্ত।
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে পুণ্ড্র (বর্তমান উত্তরবঙ্গ) হলো বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
মুজিবনগর সরকারে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ অর্থনীতি পরিকল্পনা শিক্ষা তথ্য ও বেতারসহ কয়েকটি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।
সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে "রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।"
২০২১ সালে চীনের সিনোভ্যাক কোম্পানির করোনাভ্যাক ভ্যাকসিন উৎপাদনে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সাথে চুক্তি হয়।
১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর।
অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তিনি সরকারকে আইনি পরামর্শ দেন ও সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন।
বৌদ্ধধর্মে 'নির্বাণ' হলো সকল তৃষ্ণা ও দুঃখের অবসান ঘটিয়ে পরম শান্তি ও মুক্তি লাভ করা। এটি বৌদ্ধ সাধনার চূড়ান্ত লক্ষ্য।