সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন বিষয়ে রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের স্থান হলো সেন্টমার্টিন দ্বীপের ছেঁড়া দ্বীপ।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্যগুলো: পশ্চিমবঙ্গ আসাম মেঘালয় ত্রিপুরা ও মিজোরাম। মোট ৫টি।
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ ভারতের ত্রিপুরা থেকে ২০০৭ সালে বাংলাদেশে এনে সমাহিত করা হয়।
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ: মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হামিদুর রহমান মোস্তফা কামাল রুহুল আমিন মতিউর রহমান মুন্সী আব্দুর রউফ ও নূর মোহাম্মদ শেখ। 'মুন্সী আব্দুর রহিম' নামে কেউ নেই।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন।
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭২ সালে পদকে ভূষিত করে যা তিনি ১৯৭৩ সালের ২৩ মে গ্রহণ করেন।
ছয় দফায় স্বায়ত্তশাসন মুদ্রা রাজস্ব বৈদেশিক বাণিজ্য ও সেনাবাহিনীর দাবি ছিল কিন্তু বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কোনো দফা ছিল না।
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল বংশের উত্থানের আগ পর্যন্ত (আনু. ৬৫০-৭৫০ খ্রি.) বাংলায় অরাজক পরিস্থিতি 'মাৎস্যন্যায়' নামে পরিচিত।
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনামলে (১৪৯৩-১৫১৯) বাংলায় শান্তি সমৃদ্ধি ও সাহিত্য সংস্কৃতির ব্যাপক উন্নতি হওয়ায় তার সময়কাল 'স্বর্ণযুগ' নামে পরিচিত।
ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন ও জমি অর্থ দান করেন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন।
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র এবং এর প্রাকৃতিক গুহাটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত।
লক্ষ্মণ সেনের পর বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন বাংলার কিছু অংশ শাসন করেন। কেশব সেনকে সেন বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য শাসক গণ্য করা হয়।
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে পুণ্ড্র (বর্তমান উত্তরবঙ্গ) বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ। এর রাজধানী পুণ্ড্রনগর (মহাস্থানগড়)।
১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে বিখ্যাত কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল কলকাতায় ৮নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ সরকার সদর দপ্তর স্থাপন করে এবং ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি করে বাংলাদেশ বাহিনী গঠন করা হয়।
সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদে মৌলিক বিধানাবলীকে সংশোধন-অযোগ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।