'আনোয়ারা' (১৯১৪) মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এটি তার প্রথম ও সবচেয়ে সফল উপন্যাস।
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন ঘটলে তাকে বর্ণবিপর্যয় বলে। পিশাচ > পিচাশ (শ ও চ এর স্থান পরিবর্তন) এর উদাহরণ।
বহ্নি বায়ুসখা ও বৈশ্বানর 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ। 'আবীর' হলো এক প্রকার রঙিন গুঁড়া যা উৎসবে ব্যবহৃত হয়।
উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমান প্রতিষ্ঠা করা হলে তাকে অপহৃতি অলংকার বলে। এখানে নদীর 'জল'-কে অস্বীকার করে 'অশ্রুধারা' প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
'যথারীতি' এর ব্যাসবাক্য 'রীতিকে অতিক্রম না করে'। পূর্বপদে 'যথা' অব্যয়যোগে সমাস হয়েছে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান তাই এটি অব্যয়ীভাব সমাস।
'মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি' এর এককথায় প্রকাশ হলো 'মৃন্ময়'।
'অর্ধচন্দ্র' একটি বাগধারা যার অর্থ গলাধাক্কা। যেমন: লোকটিকে অর্ধচন্দ্র দিয়ে বিদায় করা হলো।
হরতাল ও খদ্দর শব্দগুলো গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
'জয় করার ইচ্ছা' এই বাক্যাংশের এককথায় প্রকাশ হলো 'জিগীষা'।
সংস্কৃত থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় সরাসরি বাংলায় আসা শব্দ তৎসম। 'ধূলি' তৎসম শব্দ। পছন্দ (ফারসি) হিসাব (আরবি) শৌখিন (আরবি) বিদেশি শব্দ।
'কহ্' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু। কথ্ বুধ্ গঠ্ ইত্যাদি সংস্কৃত ধাতু।
'সোনার তরী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ। ব্যথার দান দোলনচাঁপা ও শিউলিমালা কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
'মুমূর্ষু' শব্দের অর্থ মরণাপন্ন। এর শুদ্ধ বানানে প্রথম ম-এ হ্রস্ব-উ দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ-ঊ এবং ষ-এ রেফ ও হ্রস্ব-উ।
'ইতরবিশেষ' একটি যুগ্মশব্দ যার অর্থ ভেদাভেদ বা পার্থক্য।
'গো + অক্ষ = গবাক্ষ' একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি যা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে না। সাধারণ নিয়মে 'গবক্ষ' হওয়ার কথা ছিল।
(ক) হবে 'পাঁচেও নেই'। (খ) হবে 'সপরিবার'। (ঘ) হবে 'ভূতের বেগার'। বাক্য (গ) প্রয়োগগতভাবে শুদ্ধ।
যৌগিক বাক্যে 'তবে' দ্বারা দুটি স্বাধীন বাক্য যুক্ত হয়েছে। বাকিগুলো জটিল বা সরল বাক্য।
মঙ্গলকাব্য ধারার 'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের প্রধান দেবী চণ্ডী হলেন দেবাদিদেব শিবের স্ত্রী।
বসন্তরঞ্জন রায় ১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের চালা থেকে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি বিদ্যাপতি মূলত মৈথিল ভাষায় পদ রচনা করতেন।