'মৃণালিনী' (১৮৬৯) বঙ্কিমচন্দ্রের তৃতীয় উপন্যাস। এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র হলো মনোরমা।
'ব্যক্ত প্রেম' ও 'গুপ্ত প্রেম' কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' (১৮৯০) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
'রবিবার' রবীন্দ্রনাথের 'তিন সঙ্গী' গল্পগ্রন্থের বিখ্যাত গল্প। এই গল্পের প্রধান পুরুষ চরিত্র হলো আধুনিকমনা যুবক অভীক।
এই বিখ্যাত পংক্তিটি কবি কামিনী রায়ের 'পরার্থে' কবিতার অংশ। কবিতাটি তার 'আলো ও ছায়া' (১৮৮৯) কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।
ভারতচন্দ্রের 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যে খেয়ানদীর মাঝি ঈশ্বরী পাটুনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে এই বরটি চেয়েছিলেন।
'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' (১৯২৬)-এর সাথে কাজী আবদুল ওদুদ আবুল ফজল ও আবদুল কাদির যুক্ত ছিলেন। এস ওয়াজেদ আলি এই আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না।
'অগ্নি-বীণা' (১৯২২) কাব্যে নজরুল হিন্দু-মুসলিম উভয় ঐতিহ্য থেকে সমানভাবে উপাদান সংগ্রহ করে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
'শনিবারের চিঠি' (১৯২৪) বিশ শতকের পত্রিকা। বঙ্গদর্শন (১৮৭২) তত্ত্ববোধিনী (১৮৪৩) ও সংবাদ প্রভাকর (১৮৩১) ঊনবিংশ শতকের পত্রিকা।
'কবিতার কথা' জীবনানন্দ দাশের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। দিবারাত্রির কাব্য শেষের কবিতা ও পল্লী-সমাজ উপন্যাস।
'বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য' (২ খণ্ডে) গ্রন্থটি প্রখ্যাত গবেষক ড. আহমদ শরীফ রচনা করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' (১৯৭৬) উপন্যাসের প্রধান চরিত্র খোকা এবং তার বোন রঞ্জু।
'বহিপীর' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা বিখ্যাত নাটক। কবর (মুনীর চৌধুরী) পায়ের আওয়াজ (সৈয়দ শামসুল হক) ওরা কদম আলী (মামুনুর রশীদ)।
'বিষাদ-সিন্ধু' কারবালার বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ রচনা। আঙ্গিক ও বিষয়বস্তুর বিচারে এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর 'চাঁদের অমাবস্যা' (১৯৬৪) উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র যুবক শিক্ষক আরেফ আলী।
এই বিখ্যাত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।