সুশাসন স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও নৈতিক নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দেয়।
মূল্যবোধ ও শাসনের মধ্যে সম্পর্ক হলো নৈতিক নীতি স্বচ্ছতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।
নৈতিক শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমন্নয় শাসন ব্যবস্থায় মূল্যবোধ প্রাতিষ্ঠানিক করার সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।
জীবনের তিনটি শ্রেষ্ঠ মূল্যবোধ হলো সত্য সুন্দর ও সদগুন।
সাংস্কৃতিক মূল্যবোধগুলো বেশি উদ্ভূত হয় সামাজিক প্রথা থেকে।
Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে।
সুশাসনের অনুপস্থিতিতে সমাজ যে hidden cost বহন করে তার উৎকৃষ্ট উদাহরন হলো মেধা পাচার।
বিশ্বব্যাংক বর্ণিত সুশাসন সূচকে কোনো দেশের সূচক ০.০০ হলে সে দেশের সু-শাসনের অবস্থা মাঝারি মানের বলে পরিগনিত হবে।
প্রেষণা মানুষকে লক্ষ্যবস্তুর দিকে পরিচালিত করে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ফলপ্রসূতার জন্য গুণগত শিক্ষা অগ্রাধিকার পাবে।
সু-শাসন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক ন্যায়ের ভারসাম্য রক্ষা করে বলে টেকসই উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রাষ্ট্রীয় অধিকার।
সুশাসনের আদর্শ নৈতিক মানদন্ড ও জনস্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়।
দুর্বল শাসন ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহনে স্বচ্ছতা ও সততার অভাবে উন্নয়ন প্রকল্প ব্যর্থ হয়।
সাধারনের দৃষ্টিতে নাগরিকের অংশগ্রহণ মূল্যবোধ সম্পন্ন শাসন ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য।
মূল্যবোধ ও সুশাসনের উপস্থিতি মানব সম্পদ উন্নয়নকে বেশি টেকসই করে তোলে।
স্বচ্ছতা জনগনের নজরদারি ও সচেতন মূল্যায়নের জন্য সুযোগ দেয় বলে নাগরিকের ধারনাকে উন্নত করে।
নৈতিক আচরন নির্দেশক বিশ্বাস ও নীতি মূল্যবোধের সারসত্তাকে প্রতিফলিত করে।
আয়কর ফাঁকি দেয়া মুদ্রাপাচারের অন্তর্ভুক্ত নয়।
দক্ষতা বা Competence পেশাগত নৈতিকতার একটি অপরিহার্য উপাদান। অন্যগুলো নেতিবাচক বা অপ্রাসঙ্গিক।