সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা রক্ষার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।
সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা একটি মৌলিক অধিকার।
সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ব্যক্তি সমাজের রীতিনীতি ও মূল্যবোধ আয়ত্ত করে।
সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৌলিক মানবাধিকার মানবসত্তার মর্যাদা এবং সকল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রজাতন্ত্রের
বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালে তাদের "Governance and Development" রিপোর্টে সুশাসনের সংজ্ঞা ও উপাদানগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।
বিশ্বব্যাংকই প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টিকে উন্নয়নের আলোচনায় নিয়ে আসে এবং তাদের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরে।
২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে UNCAC (United Nations Convention Against Corruption) গৃহীত হয়।
সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী UNCAC-এ স্বাক্ষরকারী বা পক্ষভুক্ত দেশের সংখ্যা ১৯১।
অস্ট্রেলিয়ান দার্শনিক পিটার সিঙ্গার ১৯৭৫ সালে 'Animal Liberation' গ্রন্থটি রচনা করেন। এটি আধুনিক প্রাণী অধিকার আন্দোলনের একটি প্রভাবশালী দলিল।
নীতিবিদ্যা শুধুমাত্র মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া (Voluntary Action) নিয়ে আলোচনা করে কারণ ইচ্ছাকৃত কাজের জন্যই মানুষকে নৈতিকভাবে দায়ী করা যায়।
বরিশালের স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর যুক্তিনির্ভর ও মানবতাবাদী নৈতিকতার কথা বলেছেন। তাকে 'নব্য-নৈতিকতার' প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
সুশাসনের মূলনীতিগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা (Transparency) এবং জবাবদিহিতা (Accountability) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
এটি জার্মান ভাববাদী দার্শনিক Georg Wilhelm Friedrich Hegel-এর একটি বিখ্যাত উক্তি যা তার দ্বান্দ্বিক দর্শনকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক 'জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল' (National Integrity Strategy) ২০১২ সালে প্রণয়ন ও অনুমোদন করা হয়।
ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল তার 'A History of Western Philosophy' গ্রন্থে দর্শনকে বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মধ্যবর্তী 'No Man's Land' হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বিশ্বব্যাংক সুশাসনের ধারণাকে জনপ্রিয় করে তোলে। তাদের মতে সুশাসনের চারটি স্তম্ভ হলো জবাবদিহিতা স্বচ্ছতা আইনি কাঠামো এবং অংশগ্রহণ।
'স্মার্ট বাংলাদেশ' এর চারটি মূল স্তম্ভ হলো: স্মার্ট নাগরিক স্মার্ট সরকার স্মার্ট অর্থনীতি এবং স্মার্ট সমাজ (Smart Society)।
'রিপাবলিক' গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থ। এতে তিনি আদর্শ রাষ্ট্র ন্যায়বিচার এবং দর্শনিক রাজার ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
নৈতিকতা বা নীতিবিদ্যা ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় উচিত-অনুচিত ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। তাই ভালো-মন্দ বিচার নৈতিক মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্ত।
মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় যা সুশাসনের একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।