এটি চর্যাপদের ২ নং পদের একটি অংশ। এর শাব্দিক অর্থ হলো ‘গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়’, যা মূলত একটি রূপক অর্থ বহন করে।
বিজয়গুপ্ত রচিত মনসামঙ্গল কাব্যের নাম ‘পদ্মপুরাণ’। তিনি বরিশালের ফুলশ্রী গ্রামের অধিবাসী ছিলেন।
১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার (রয়্যাল লাইব্রেরি) থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন।
১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন।
সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত অত্যন্ত প্রভাবশালী ও ব্যঙ্গধর্মী পত্রিকার নাম হলো ‘শনিবারের চিঠি’।
এই পঙক্তিটি রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ‘মানুষের মৃত্যু হলে’ কবিতার অংশ।
আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শঙ্খ ঘোষের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’।
আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত ‘কর্ণফুলী’ উপন্যাসে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে।
১৮৬৫ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ প্রকাশিত হয়।
এটি আবুল মনসুর আহমেদের বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক ও রাজনৈতিক ইতিহাস সমৃদ্ধ গ্রন্থ।
আসমান একটি ফারসি শব্দ। এছাড়া চশমা, খোদা, দরবার ইত্যাদিও ফারসি শব্দ।
‘আ’ উচ্চারণের সময় মুখগহ্বর সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত থাকে এবং জিহ্বা নিচে অবস্থান করে, তাই একে নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি বলা হয়।