ফুসফুস থেকে শুরু করে স্বরযন্ত্র জিহ্বা তালু দাঁত ঠোঁট নাক ইত্যাদি সকল প্রত্যঙ্গ যা ধ্বনি উচ্চারণে সহায়ক তাদের সমষ্টিকে বাগযন্ত্র বলে।
রবীন্দ্রনাথ মনে করতেন স্বত্ব ত্যাগ করে দান বোঝালে কর্মকারক দিয়েই অর্থ প্রকাশ করা যায়। তাই আলাদা সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই।
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর 'কেন্তুম' শাখার দুটি প্রাচীন ভাষা হিত্তিক ও তুখারিক এশিয়া মাইনর ও মধ্য এশিয়ায় প্রচলিত ছিল।
এটি চর্যাপদের একটি লাইন। রুখ = বৃক্ষ তেন্তুলি = তেঁতুল। আধুনিক বাংলা রূপ হলো 'গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়'।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে খ্যাত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।
রবীন্দ্রনাথের বড় বোন স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা ঔপন্যাসিক। তার প্রথম উপন্যাস 'দীপনির্বাণ' ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
'আমার দেখা নয়াচীন' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা একটি ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ যা ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
মধ্যযুগের কবি বিজয়গুপ্তের মনসামঙ্গল কাব্যের নাম 'পদ্মপুরাণ'। কানাহরি দত্তের কাব্যের নাম মনসামঙ্গল এবং বিপ্রদাস পিপলাইয়ের কাব্যের নাম মনসাবিজয়।
এই পংক্তিটি জীবনানন্দ দাশের 'বেলা অবেলা কালবেলা' কাব্যগ্রন্থের 'মানুষের মৃত্যু হলে' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
মধ্যযুগের কবি দৌলত উজির বাহরাম খান চট্টগ্রামের জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় 'লাইলী-মজনু' রচনা করেন।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
'নেকড়ে অরণ্যে' (১৯৭৩) শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' (১৯৭২) প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কবি শঙ্খ ঘোষের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
'আসমান' (আকাশ) 'জমিন' 'রোজা' 'নামাজ' ইত্যাদি শব্দ ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
উচ্চারণের সময় জিহ্বা সবচেয়ে নিচে অবস্থান করে ও মুখগহ্বর সর্বাধিক বিবৃত থাকে বলে 'আ' একটি নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি।
'বেঁচে থাকার ইচ্ছা'র এককথায় প্রকাশ হলো 'জিজীবিষা'।
কোনো ব্যঞ্জনকে দ্বিগুণ করে উচ্চারণ করলে তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে। যেমন: বড় > বড্ড পাকা > পাক্কা সকাল > সক্কাল।
'সপ্তকাণ্ড রামায়ণ' বাগধারাটি দ্বারা রামায়ণের সাতটি কাণ্ডের মতো বিশাল বা বিস্তৃত বিষয়কে বোঝানো হয়।
'Attested' শব্দের সঠিক ও প্রচলিত বাংলা পরিভাষা হলো 'সত্যায়িত'। এর অর্থ অনুলিপিকে মূল কপির সাথে মিলিয়ে সত্য বলে প্রত্যয়ন করা।
দ্বিরুক্ত শব্দ এখানে বারবার বা পৌনঃপুনিকতা (পুনরাবৃত্তি) অর্থ প্রকাশ করছে।