‘জিজীবিষা’ বলতে বেঁচে থাকার প্রবল ইচ্ছাকে বোঝানো হয়।
জোর দেওয়ার জন্য যখন কোনো ব্যঞ্জন বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, তখন তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে। যেমন- বড় > বড্ড, পাকা > পাক্কা।
রামায়ণ একটি বিশাল মহাকাব্য যা সাতটি কাণ্ডে বিভক্ত। তাই অত্যন্ত বড় বা বৃহৎ কোনো বিষয় বোঝাতে ‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
দাপ্তরিক কাজে ‘Attested’ শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ‘সত্যায়িত’ শব্দটি বহুল ব্যবহৃত।
এখানে ‘ডেকে ডেকে’ শব্দটি বারবার ডাকাকে বোঝাচ্ছে, যা ক্রিয়ার পৌনঃপুনিকতা বা বারংবারতা নির্দেশ করে।
সঠিক বানান হলো ‘ভুবন’ (হ্রস্ব-উ কার)। বাকি তিনটি বানান সঠিক আছে।
ব্যাসবাক্য হলো: ‘চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র’। এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
বিশেষ্য বা বিশেষণের পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নামধাতু বলে। যেমন: বেত (বিশেষ্য) + আ = বেতা।
নেতিবাচক বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে হাঁ-সূচক করার জন্য ‘অচল হয়ে পড়ে’ ব্যবহার করা হয়েছে।
‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ ভেড়া। ভেড়া যেহেতু সামনের ভেড়াকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে চলে, তাই অন্ধ অনুকরণকে ‘গড্ডালিকা প্রবাহ’ বলা হয়।
বিশেষ্য বা বিশেষণের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নাম ধাতু বলে। 'বেত' + 'আ' = 'বেতা' নামধাতুর উদাহরণ।
'গড্ডল' শব্দের অর্থ ভেড়া বা মেষ। 'গড্ডলিকা প্রবাহ' অর্থ ভেড়ার পালের মতো বিচার-বিবেচনা না করে অন্ধ অনুকরণ।
অর্থের পরিবর্তন না করে না-বাচক বাক্যকে হ্যাঁ-বাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হয়। 'চলে না'-এর বিপরীতার্থক হলো 'অচল হয়ে পড়ে'।
এই কবিতাংশটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'অনন্ত প্রেম' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
চর্যাপদের আবিষ্কর্তা হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে ব্রিটিশ সরকার তার পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ 'মহামহোপাধ্যায়' উপাধি প্রদান করে।
'কর্ণফুলী' (১৯৪৬) আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস যাতে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা চিত্রিত হয়েছে।
প্রখ্যাত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 'নীললোহিত' 'সনাতন পাঠক' ও 'নীল উপাধ্যায়' ছদ্মনামে লিখতেন।