ভালো নাগরিক হওয়া একটি সামাজিক প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তি। এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুশাসন।
আইনের শাসন সভ্য সমাজের মূল ভিত্তি। এটি নিশ্চিত করে যে কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং সকলের জন্য আইন সমানভাবে প্রযোজ্য।
'বিপরীত বৈষম্য' বা Affirmative Action হলো ঐতিহাসিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সমতা নিশ্চিত করার নীতি।
সংস্কৃতি হলো একটি সমাজের দীর্ঘদিনের লালিত বিশ্বাস প্রথা ও আচারের সমষ্টি। এই সংস্কৃতিই সমাজের মানুষের মূল্যবোধকে গঠন করে।
অর্থনৈতিক সুশাসন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি করে ফলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়।
মূল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সমাজের বিশ্বাস ধারণা ও মানদণ্ড যা আচরণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ভালো-মন্দ নির্ধারণে সাহায্য করে।
জাতিসংঘের মতে সুশাসনের প্রধান লক্ষ্য মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনার জন্য নাগরিকদের দেওয়া কর থেকে অর্থ আসে। তাই নিয়মিত কর প্রদান সুশাসনে নাগরিকের অন্যতম কর্তব্য।
অ্যারিস্টটলের নীতিবিদ্যায় 'গোল্ডেন মিন' হলো দুটি চরমপন্থা পরিহার করে মধ্যবর্তী সঠিক পথ অবলম্বন।
UNDP ১৯৯৭ সালে 'Governance for Sustainable Human Development' শীর্ষক নীতিপত্রে সুশাসনের সংজ্ঞা তুলে ধরে।
Nihilism শব্দটি ল্যাটিন 'nihil' থেকে এসেছে যার অর্থ 'nothing' বা 'কিছুই না'।
মূল্যবোধের শিক্ষা ব্যক্তিকে ভিন্নমত ও বিশ্বাসের প্রতি সহনশীল হতে এবং অন্যকে শ্রদ্ধা করতে শেখায়।
বিশ্বব্যাংক ১৯৯২ সালের 'Governance and Development' শীর্ষক রিপোর্টে সুশাসনের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও সংজ্ঞা প্রদান করে।
সুশাসনের প্রধান উপাদান: অংশগ্রহণ স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা আইনের শাসন ন্যায়পরায়ণতা। 'নৈতিক শাসন' সরাসরি উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়।
সংস্কৃতির উপাদান: ভাষা প্রতীক মূল্যবোধ বিশ্বাস প্রথা শিল্পকলা। আইন একটি আনুষ্ঠানিক সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সরাসরি সংস্কৃতির উপাদান নয়।
জেরেমি বেন্থাম (১৭৪৮-১৮৩২) ছিলেন ইংরেজ দার্শনিক ও সমাজ সংস্কারক। উপযোগবাদের (Utilitarianism) প্রধান প্রবক্তা।
মূল্যবোধ ব্যক্তি বা সমাজের ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় উচিত-অনুচিত সম্পর্কিত ধারণা। তাই এটি সবগুলোই পরীক্ষা করে।
নৈতিকতা সকল গুণের ভিত্তি। দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা নৈতিকতা দ্বারা পরিচালিত না হলে ক্ষতিকর হতে পারে।
সত্য ও ন্যায় সকল সমাজ ও সংস্কৃতিতে চিরন্তন মানবিক মূল্যবোধ হিসেবে স্বীকৃত।
আইনসভা নির্বাহী ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমকে প্রহরীসুলভ ভূমিকার জন্য 'চতুর্থ স্তম্ভ' বলা হয়।