বিশ্বস্ততা নিরপেক্ষতা জবাবদিহিতা অপরিহার্য মূল্যবোধ। সৃজনশীলতা কাঙ্ক্ষিত হলেও সেরকম আবশ্যকীয় নয়।
UNDP সুশাসনের ৯টি উপাদান উল্লেখ করেছে: অংশগ্রহণ আইনের শাসন স্বচ্ছতা সংবেদনশীলতা মতৈক্য সমতা কার্যকারিতা জবাবদিহিতা কৌশলগত লক্ষ্য।
ন্যায়পরায়ণতা সমতা নিরপেক্ষ আইন ও অধিকারের সাথে সম্পর্কিত। উচ্চশিক্ষা ন্যায়পরায়ণতার সরাসরি নৈতিক মূলনীতি নয়।
সততা হলো ব্যক্তিগত অনুরাগ বা বিরাগের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে আইনানুগভাবে দায়িত্ব পালন।
নৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি হলো সততা ও নিষ্ঠা — সঠিক কাজ করার মানসিক দৃঢ়তা।
ম্যাককরনী (MacCorney) সুশাসনকে রাষ্ট্র সরকার ও জনগণের মধ্যকার সামগ্রিক সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সুশাসন জনগণ রাষ্ট্র ও প্রশাসনের মধ্যে স্বচ্ছ জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর সম্পর্ক স্থাপন করে।
নৈতিকতা সমাজের ভালো-মন্দ ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কিত আদর্শ মানদণ্ড যা মানুষের আচরণ পরিচালিত করে।
এই বিখ্যাত গ্রন্থটি ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেল ১৯৩৮ সালে রচনা করেন।
অ্যারিস্টটলের নীতিবিদ্যায় গোল্ডেন মিন হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী ভারসাম্যপূর্ণ সদ্গুণসম্পন্ন অবস্থা।
Code of Ethics হলো একটি প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের জন্য অনুসরণীয় নৈতিক মূলনীতির লিখিত দলিল।
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ সামাজিক মূল্যবোধ দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
মূল্যবোধ শিক্ষা মানুষকে সৎ ন্যায়পরায়ণ ও দায়িত্বশীল করে তোলে যা সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।
সুশাসন স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও আইনের শাসনের মাধ্যমে শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন অপরিহার্য। দারিদ্র্য ও বৈষম্য সুশাসনের পথে অন্তরায়।
একজন জনপ্রশাসকের সকল কাজের মূল লক্ষ্য জনকল্যাণ সাধন। এটিই তার প্রধান নৈতিক দায়িত্ব।
স্বজনপ্রীতি (Nepotism) যোগ্যতার পরিবর্তে পরিচিতজনকে সুযোগ দেওয়া — সুশাসনের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতার পরিপন্থী।
মার্কসবাদ শ্রেণি-সম্পর্ক ও সামাজিক সংঘাতকে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখে।
'Periphery' অর্থ প্রান্তিক অঞ্চল। 'Marginal areas' সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থ।
প্রবাদটি সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব বোঝায়।