রুই মাছের কানকোর ভেতরের পৃষ্ঠে একটি ক্ষুদ্র ও লালচে রঙের ফুলকার মতো গঠন দেখা যায়, যাকে সিউডোব্রাঙ্কিয়া বা নকল ফুলকা বলা হয়। এটি মূলত রক্তে অক্সিজেনের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
আবহাওয়া অতিরিক্ত প্রতিকূল হলে বা খাদ্যের তীব্র অভাব দেখা দিলে ঘাসফড়িং ঝাঁক বেঁধে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডানা মেলে চলে যায়, যাকে পরিযায়ন (Migration) বলে।
ঘাসফড়িংয়ের ওমাটিডিয়ামের কেন্দ্রে অবস্থিত লম্বা, আলোক-সংবেদী এবং প্রতিসরণশীল দণ্ডাকার অঙ্গটিই হলো র্যাবডোম। এটি চারপাশের ৭-৮টি রেটিনুলার কোষ দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে এবং কেন্দ্রীয় অক্ষ হিসেবে কাজ করে।
হাইড্রার পরিপাক দুই ধাপে ঘটে। প্রথম ধাপ বা বহিঃকোষীয় পরিপাকটি ঘটে এদের কেন্দ্রীয় গহ্বর বা সিলেন্টেরনের (Coelenteron) ভেতর ক্ষরিত এনজাইমের সাহায্যে।
মালপিজিয়ান নালিকা ঘাসফড়িংয়ের প্রধান রেচন অঙ্গ। এছাড়া ইউরেট কোষ, কিউটিকল ও ইউরিকোজ গ্রন্থি রেচনে সাহায্য করে। কিন্তু হেপাটিক সিকা হলো পাচক রস নিঃসরণকারী পরিপাকতন্ত্রের অংশ, রেচন অঙ্গ নয়।
নিষেক প্রক্রিয়ায় ডিম্বাণুর প্লাজমা পর্দার সাথে প্রথম স্পর্শ করা শুক্রাণুটির নিউক্লিয়াসটিই কেবল ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের সাথে একীভূত হতে পারে এবং সাথে সাথে ডিম্বাণ?
হাইড্রা মূলত মাংসাশী প্রাণী। এদের প্রধান খাদ্য হলো জলজ আর্থ্রোপোডা পর্বের ক্ষুদ্র ক্রাস্টাসিয়ান সন্ধিপদী জীব, যেমন— ডাফনিয়া ও সাইক্লপস।
সবুজ হাইড্রা বা Chlorohydra viridissima এবং Zoochlorella নামক সবুজ শৈবাল একে অপরের সাথে মিথোজীবী সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করে।
হাইড্রার কোনো নির্দিষ্ট শ্বসন অঙ্গ নেই। দেহত্বকের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় এরা পানি থেকে দ্রবীভূত O₂ গ্রহণ করে এবং বিপাকীয় বর্জ্য গ্যাস হিসেবে CO₂ উৎপন্ন করে পানিতে ত্যাগ করে।
নেমাটোসিস্ট একবার নিক্ষিপ্ত হলে পরবর্তীতে গ্যাস্ট্রোডার্মিসের কোষ দ্বারা পরিপাক হয়ে যায় এবং ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ থেকে নতুন নিডোসাইট তৈরি হয়ে তার স্থান পূরণ করে।
ঘাসফড়িংয়ের মস্তকটি দেহের লম্ব অক্ষের সাথে ৯০ ডিগ্রি কোণ করে নিচের দিকে মুখ করে থাকে। এই অবস্থাকে হাইপোগনেথাস মস্তক বলা হয়।
যেসকল মাছের বায়ুথলির সাথে অন্ননালির সংযোগকারী নালি থাকে না, তাকে ফাইসোক্লিস্টাস বায়ুথলি বলে।
হ্যাপ্লয়েড শুক্রাণু এবং হ্যাপ্লয়েড ডিম্বাণুর মিলনের ফলে ডিপ্লয়েড জাইগোট উৎপন্ন হয়।
ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ হলো হাইড্রার টোটিপোটেন্ট কোষ। প্রয়োজন অনুযায়ী এরা অন্য যেকোনো ধরনের কোষ গঠন করতে পারে বলে এদেরকে সঞ্চিত কোষ বলা হয়।
রুই মাছের বায়ুথলির বাইরের স্তর টিউনিকা এক্সটার্না এবং ভেতরের মসৃণ ও গ্যাস উৎপাদনকারী স্তরটি হলো টিউনিকা ইন্টার্না।
বায়ুথলি পানির বিভিন্ন গভীরতায় গ্যাসের পরিমাণ পরিবর্তন করে মাছের প্লবতা নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য একে হাইড্রোস্ট্যাটিক অঙ্গ বলা হয়।
রুই মাছের আঁইশে গঠিত বাৎসরিক চক্রাকার রেখাকে অ্যানুলি বলে, যা গুনে মাছের বয়স নির্ণয় করা যায়।
শিকারের দেহ থেকে নিঃসৃত গুটাথিওন নামক রাসায়নিক পদার্থটি হাইড্রাকে খাবার গ্রহণে উদ্দীপিত করে।
ঘাসফড়িংয়ের ওমাটিডিয়ামে মূল প্রতিবিম্ব বা আলোর উদ্দীপনা র্যাবডোমের উপর গঠিত হয়।
ঘাসফড়িংয়ের শ্বসনতন্ত্রে মোট ১০ জোড়া বা ২০টি স্পাইরাকল থাকে।