ভ্রূণীয় বিকাশের সময় যেসব প্রাণীর ব্ল্যাস্টোপোর থেকে প্রথমে পায়ু তৈরি হয়, তাদেরকে ডিউটারোস্টোম বলে। Echinodermata এবং Chordata পর্বের প্রাণীরা ডিউটারোস্টোম প্রকৃতির।
যকৃত কৃমি Platyhelminthes পর্বের প্রাণী। এদের দেহে প্রকৃত সিলোম নেই, তাই এরা অ্যাসিলোমেট।
Annelida পর্বের প্রাণীদের প্রকৃত সিলোম বা ইউসিলোম থাকে। তাই এরা অ্যাসিলোমেট নয়।
অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের দেহে প্রথম প্রকৃত বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ খণ্ডকায়ন দেখা যায়।
জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় বারিবন এবং প্রবাল প্রাচীর সবচেয়ে সমৃদ্ধ অঞ্চল।
দ্বিঅরীয় প্রতিসাম্যে প্রাণীদেহকে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর ৪টি সদৃশ অংশে ভাগ করা যায়।
স্পঞ্জ প্রাণীদের দেহকে কোনোভাবেই সমান দুই ভাগে ভাগ করা যায় না, তাই এরা অপ্রতিসাম্য।
Echinodermata পর্বের প্রাণীদের এন্টারোসিলাস সিলোম থাকে।
একই প্রজাতির সদস্যদের জিনগত পার্থক্যের কারণে দাগে পরিবর্তন দেখা যায়।
ক্রাস্টাসিয়ার শিরোবক্ষে ৫টি মস্তক খণ্ড এবং ৮টি বক্ষ খণ্ড মিলে মোট ১৩টি খণ্ড থাকে।
শ্রেণিবিন্যাসের প্রধান ও সর্বোচ্চ সার্বজনীন স্তর হলো জগৎ।
আমাজন বন পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০% উৎপাদন করে বলে ধারণা করা হয়।
Volvox হলো ক্লোরোফিলযুক্ত সবুজ শৈবাল এবং ফটোসিন্থেটিক প্রোটিস্ট।
প্রাণীদেহে সম্মুখ, পশ্চাৎ, পৃষ্ঠীয়, অংকীয় ও পার্শ্বীয়— মোট ৫ ধরনের প্রান্তিকতা থাকে।
Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের দেহে প্রথম টিস্যু-অঙ্গ মাত্রার গঠন দেখা যায়।
Echinodermata পর্বের sea urchins-এ পঞ্চঅরীয় প্রতিসাম্যতা দেখা যায়।
বিভাজন তলের ভিত্তিতে ক্লিভেজ প্রধানত ৩ প্রকার— অরীয়, সর্পিল ও দ্বিপার্শ্বীয়।
ফার্নের ফ্রন্ডে র্যামেন্টাম, পিনা এবং কচি অবস্থায় ক্রোসিয়ার গঠন—সবগুলো বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়।
ফার্নের কচি পাতাকে র্যামেন্টাম নামক আবরণ মুড়িয়ে রাখে।
শৈবালের ভিত্তিস্থ বর্ণহীন অংশকে হোল্ডফাস্ট বলা হয়।