ফার্নের কচি পাতার পাকানো অবস্থাকে ক্রোসিয়ার বলা হয়।
টেরিডোফাইটে ভেসেল ও সিভনল অনুপস্থিত থাকে।
ফার্ন পাতার নিচের দিকে স্পোরাঞ্জিয়ার গুচ্ছকে সোরাস বলে।
বর্তমানে প্রায় ৩০,০০০ প্রজাতির শৈবাল শনাক্ত করা হয়েছে।
শৈবালের কোষপ্রাচীর প্রধানত সেলুলোজ দিয়ে গঠিত।
Agaricus-এর ব্যাসিডিওকার্পে পাইলিয়াস, স্টাইপ ও অ্যানুলাস থাকে; রাইজোম থাকে না।
ব্রায়োফাইটে প্রকৃত মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে।
ব্রায়োফাইটে গ্যামেটোফাইটই প্রধান উদ্ভিদ দেহ।
Saprolegnia-তে সিনোসাইটিক মাইসেলিয়াম দেখা যায়।
আর্কিগোনিয়াম সাধারণত ফ্লাস্ক আকৃতির হয়।
Pteris-এ স্পোর দ্বারা অযৌন জনন ও প্রোথ্যালাসে যৌন জনন ঘটে; নিষেকের জন্য পানি প্রয়োজন হয়।
ফার্নের পুংজননাঙ্গের নাম অ্যান্থেরিডিয়াম।
টেরিডোফাইটাকে হায়ার ক্রিপ্টোগ্যামস বলা হয়।
Pteris-এর কাণ্ড মাটির নিচে রাইজোম আকারে থাকে।
ছত্রাকের সূত্রাকার শাখার একবচন হলো হাইফা।
ব্রায়োফাইটে প্রকৃত মূল ও পরিবহন টিস্যু নেই; প্রধান দেহ গ্যামেটোফাইটিক।
শৈবালের জননাঙ্গ সাধারণত এককোষী হয়।
ফার্নে ভাস্কুলার টিস্যু থাকে এবং স্পোরোফাইট-গ্যামেটোফাইট স্বতন্ত্র।
পাথরের উপর জন্মানো শৈবালকে লিথোফাইট বলা হয়।
শৈবালে সবগুলো বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়।