X একজন প্রবাসী হওয়া সত্ত্বেও দেশের ভালো-মন্দের প্রতি ব্যথিত হন। এটি তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ তথা দেশপ্রেমকে প্রকাশ করে।
সংবিধানের বিশেষ ক্ষমতাবলে জরুরি আইন বা রাষ্ট্রপতির আদেশ তথা 'অধ্যাদেশ' জারির ক্ষমতা নির্বাহী বা শাসন বিভাগের হাতে থাকে।
১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর জাতিসংঘের 'সাধারণ পরিষদ' (General Assembly) কর্তৃক সার্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাপত্রটি গৃহীত হয়।
সমাজে যদি চরম অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দারিদ্র্য থাকে, তবে মানুষ ক্ষুধার তাড়নায় বা অর্থের লোভে তার রাজনৈতিক অধিকার ও স্বাধীন মতামত সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে না।
রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ, vote প্রদান ও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার অধিকারকে 'রাজনৈতিক স্বাধীনতা' বলা হয়।
সামাজিক পরিবেশ ও সামাজিক স্বাধীনতা ছাড়া ব্যক্তির মৌলিক ও সামাজিক সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়।
প্রখ্যাত আইনবিদ হলান্ডের মতে আইনের প্রধান উৎস হলো ছয়টি।
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং ৫ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।
পৌরনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই রাষ্ট্র, নাগরিক ও সরকার নিয়ে আলোচনা করে বলে এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও স্থায়ী।
'Civitas' শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ হলো নগর রাষ্ট্র। ল্যাটিন শব্দ 'Civitas' থেকে পৌরনীতি (Civics) শব্দটির উদ্ভব হয়েছে এবং প্রাচীন গ্রিস ও রোমে এই শব্দটি দ্বারা নগর রাষ্ট্রকে বোঝানো হতো।
দমনপীড়ন ও অত্যাচারের ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়া স্বৈর্তান্ত্রিক শাসকের শাসনের সবচেয়ে সরাসরি ও ভয়াবহ পরিণতি।
যেহেতু আইন পাশের জন্য কেবল একটি কক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়, তাই এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় সময় অপচয় রোধ হয় এবং দ্রুত ও সহজে আইন প্রণয়ন করা যায়।
দেশপ্রেমের সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Patriotism।
গণতন্ত্র, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা—এই চারটি মূল উপাদান একসঙ্গে কাজ করলে রাষ্ট্রে 'সুশাসন' প্রতিষ্ঠিত হয়।
দেশের কল্যাণের জন্য নিজের সুখ, আরাম, স্বার্থ এমনকি জীবন উৎসর্গ করার মতো নিঃস্বার্থ 'আত্মত্যাগ'-ই হলো দেশপ্রেমের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ।
একটি স্বার্থগোষ্ঠী বা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী মূলত তাদের নিজেদের সদস্য এবং নিজস্ব উদ্দেশ্যের জন্য তথা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।
জাতীয়তা হলো একটি মানসিক ধারণা, রাজনৈতিক চেতনা এবং ঐক্যানুভূতি। এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই একটি জনসমষ্টিকে অভ্যন্তরীণভাবে একত্রিত করে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA) মূলত ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান—এই দুটি প্রধান দল থাকার কারণে সেখানে দ্বি-দলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ব্যারন ডি মন্টেস্কু তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'দ্য শ্রীরিট অফ লজ' (১৭৪৮)-এ ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ নীতির বিস্তৃত ব্যাখ্যা দেন।
কপোতাক্ষ নদ কবিতার এই চরণ দুটিতে সুদূর প্রবাসে বসেও জন্মভূমির মাটির প্রতি কবির যে তীব্র টান ফুটে উঠেছে, সেটিই মূলত দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ।