বংশ, ধর্ম, ভাষা বা ভৌগোলিক ঐক্য জাতীয়তার উপাদান হলেও 'প্রাকৃতিক সম্পদ' জাতীয়তা গঠনের কোনো উপাদান বা শর্ত নয়।
আইনের শাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে। এটি নিশ্চিত করে যে সরকার সংবিধান ও আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে এবং জনগণের অধিকার রক্ষা পাবে।
ভোট দেওয়া, নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা রাষ্ট্র পরিচালনায় মত প্রকাশের অধিকার নাগরিকের বিশুদ্ধ 'রাজনৈতিক অধিকার'-এর অন্তর্ভুক্ত।
পৌরনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই রাষ্ট্র, নাগরিক ও সরকার নিয়ে আলোচনা করে বলে এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও স্থায়ী।
বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯-৯২ সালে আফ্রিকার উন্নয়ন সংকট নিয়ে তৈরি তাদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে সর্বপ্রথম প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগতভাবে 'সুশাসন' শব্দটির ব্যাখ্যা দেয়।
সুশাসন সম্মিলিতভাবে জনগণের অংশগ্রহণ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শাসকের কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
'যোগ্যতা অনুযায়ী পেশা নির্ধারণ' মূলত অর্থনৈতিক সাম্যকে নির্দেশ করে, যার ফলে প্রত্যেক ব্যক্তি তার যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করার ও ন্যায্য পারিশ্রমিক পাওয়ার সুযোগ পায়।
নৈতিকতা হলো মূল্যবোধের প্রধান ও অন্যতম শক্তিশালী নির্ধারক। মূল্যবোধ মূলত ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস ও মানদণ্ড যা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত নৈতিক গুণাবলি এবং সঠিক-ভুলের পার্থক্যের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয়। এই দিনটি ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত ও ঘোষিত হওয়ার স্মরণে পালিত হয়।
যুদ্ধ, মহামারী বা অর্থনৈতিক সংকটের মতো জরুরি অবস্থা দ্রুত ও কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার প্রয়োজনেই শাসন বিভাগকে সর্বাধিক ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
জনগণের উপর দমনপীড়ন ও ব্যক্তিগত ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রবণতা স্বৈরতান্ত্রিক এবং একনায়কতান্ত্রিক শাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাংলাদেশের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট। এখানে সংসদ সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাদের নিয়েই এক কক্ষবিশিষ্ট 'জাতীয় সংসদ' গঠিত হয়।
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরকার গঠন করে।
নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার বা স্বাধীনতা খর্ব করা হলে সরকারের জবাবদিহিতা থাকে না, ফলে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ব্যাহত হয় ও অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।
১৯৪৮ সালে জাতিসংঘে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হওয়ার স্মরণে প্রতি বছর ১০ই ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
গণতন্ত্রের অভাব থাকলে রাষ্ট্রে আইনের শাসন চরমভাবে ব্যাহত হয় এবং স্বৈরাচারী শাসক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বাধীন জনমতের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তন ও রাষ্ট্র পরিচালনা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য।
নির্দিষ্ট পেশা বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে 'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী' বা স্বার্থগোষ্ঠী বলা হয়।
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য ক্ষমতা লাভ বা সরকার গঠন নয়, বরং সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করে নিজেদের দাবি আদায় করা।
জনগণের অংশগ্রহণ, আইনের শাসন ও অধিকারের নিশ্চয়তা থাকার কারণে 'গণতন্ত্র' বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় শাসনব্যবস্থা।