খরচ হয়েছে ১০০০-৬০০=৪০০ টাকা, তাই সাপ্লাইজ খরচ ডেবিট ও সাপ্লাইজ ক্রেডিট হবে।
হিসাব সমীকরণের সম্প্রসারিত রূপ হলো A=L+C+R-E-D।
বাকিতে পণ্য ক্রয়ে দায় বৃদ্ধি পায় এবং ব্যয় বৃদ্ধির কারণে মালিকানাস্বত্ব কমে।
আয় বা মুনাফা মালিকের মূলধন বৃদ্ধি করে।
খতিয়ান হিসাবের স্থায়ী বা পাকা বই।
ক্রয় ফেরতের জন্য ডেবিট নোট ব্যবহৃত হয়।
তিনঘরা নগদান বইতে বাট্টার আলাদা কলাম থাকে।
নিট পাওনা ২০,০০০ টাকা। ৪% বাট্টা = ৮০০ টাকা, তাই পরিশোধ = ১৯,২০০ টাকা।
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ক্রয় করা আসবাবপত্র পণ্য হিসেবে গণ্য হয়।
মোট বিজ্ঞাপন ব্যয় = ৭৫,০০০ টাকা। ৫ বছরে অবলোপন করলে চলতি বছরের খরচ ১৫,০০০ টাকা। অবশিষ্ট বিলম্বিত বিজ্ঞাপন = ৬০,০০০ টাকা।
ব্যাংক চার্জ কর্তনের তথ্য ডেবিট মেমোরেন্ডামের মাধ্যমে জানানো হয়।
অনুপার্জিত আয় অর্জিত হলে দায় কমে এবং আয় বৃদ্ধি পায়।
নামিক হিসাব ও উত্তোলন হিসাব বন্ধ করা হয়, স্থায়ী হিসাব নয়।
মোট সেবা আয় = ১,৪০,০০০ + ২০,০০০ = ১,৬০,০০০ টাকা।
অবশিষ্ট অনুপার্জিত আয় = ৬০,০০০ × ১/৪ = ১৫,০০০ টাকা।
বিক্রেতা ক্রেতাকে ক্রেডিট নোট পাঠায়।
বছর শেষে বকেয়া, অগ্রিম ও অনুপার্জিত হিসাবের জন্য সমন্বয় দাখিলা দেওয়া হয়।
সম্পদ ও ব্যয় হিসাবের জের সাধারণত ডেবিট উদ্বৃত্ত হয়।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহকের লেনদেনের বিবরণী প্রস্তুত করে।
পাস বইয়ের ডেবিট উদ্বৃত্ত ব্যাংক জমাতিরিক্ত নির্দেশ করে।