political দলের অনেকগুলো কাজের (জনমত গঠন, প্রার্থী দেওয়া ইত্যাদি) মধ্যে প্রধান ও চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা লাভ বা সরকার গঠন করা।
একটি রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতে দেশের কল্যাণের জন্য গঠিত সুসংগঠিত জনসমষ্টিই হলো রাজনৈতিক দল।
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure Group) সরকারের অংশ না হয়েও পর্দার আড়াল থেকে বা আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারি নীতি নিজেদের অনুকূলে নিতে প্রভাব বিস্তার করে।
নেতার ব্যক্তিগত জাদুকরী আকর্ষণ ও অসাধারণ গুণাবলীর কারণে অনুসারীরা যখন তার প্রতি অন্ধ অনুগত ও অনুপ্রাণিত হয়, তখন তাকে 'সম্মোহনী নেতৃত্ব' (Charismatic Leadership) বলে।
যেকোনো গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান তিনটি মৌলিক স্তম্ভ বা বিভাগ হলো: আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ এবং 'বিচার বিভাগ' (Judiciary)।
সংসদীয় বা মন্ত্রী পরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় শাসন বিভাগের সদস্যরা আইনসভার মধ্য থেকেই নির্বাচিত হন, ফলে এই দুই বিভাগের মধ্যে গভীর সম্পর্ক থাকে।
ভাষা, ধর্ম বা ভৌগোলিক ঐক্য সাহায্যকারী উপাদান হলেও, মনের ভেতরের গভীর 'মনস্তাত্ত্বিক ঐক্য' বা আমরা এক—এই অনুভূতিটিই জাতীয়তার সবচেয়ে বড় উপাদান।
স্বাধীনতাহীন বা স্বাধীনতাসচেতন জনসমষ্টির ভেতরের পরম মানসিক ঐক্যের অনুভূতিই হলো 'জাতীয়তা' (Nationality)।
নিজের দেশের প্রতি পরম ভক্তি, মমতা ও গভীর ভালোবাসার মানসিক অনুভূতিই হলো দেশপ্রেম (Patriotism)।
ল্যাটিন শব্দ 'Civis' শব্দের অর্থ হলো 'নাগরিক' (Citizen) এবং 'Civitas' শব্দের অর্থ হলো নগররাষ্ট্র।
নাগরিকের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রূপ নিয়ে আলোচনা করার একমাত্র মূল বিষয় হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম হলো 'জাতীয় সংসদ' (Jatiya Sangsad)।
'আইন' একটি ফারসি ভাষার শব্দ। ল্যাটিন শব্দ 'Lag' থেকে ইংরেজি 'Law' শব্দের উৎপত্তি, যার অর্থ স্থির বা অপরিবর্তনীয়।
আইন মানুষের মনের ভেতরের চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, এটি কেবল মানুষের 'বাহ্যিক আচরণ' ও সমাজবিরোধী কাজকে নিয়ন্ত্রণ করে।