জন্মগতভাবে প্রতিটি মানুষের সমান সুযোগ-সুবিধা ও বাঁচার অধিকারকে মানবাধিকার বলে।
যুক্তরাজ্যের আইনসভা বা পার্লামেন্ট 'হাউস অফ লর্ডস' ও 'হাউস অফ কমন্স' নামক দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
রাজনৈতিক দলগুলোর মূল কাজই হলো নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচনে জিতে ক্ষমতা লাভ করা।
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে বিরোধী দলকে 'ছায়া সরকার' বা 'বিকল্প সরকার' বলা হয়।
জনগণ তাদের অধিকার সম্পর্কে সদা জাগ্রত ও সচেতন থাকলে তাদের স্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি সুরক্ষিত থাকে।
তথ্যের অবাধ প্রবাহ নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে।
সুশাসনের মূল লক্ষ্য হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
সংসদ অধিবেশন না থাকলে বা জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
জরুরি প্রয়োজনে সরকারের শাসন বা নির্বাহী বিভাগ অধ্যাদেশ জারি করতে পারে।
১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম তাদের একটি প্রতিবেদনে 'সুশাসন' ধারণাটির উদ্ভাবন করে।
আইনের শাসন সবার প্রতি সমতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে।
জন্মসূত্র অনুযায়ী জাতীয়তা প্রধানত ২টি উপায়ে নির্ধারিত হয়— রক্তের সম্পর্ক নীতি এবং জন্মস্থান নীতি।
মানুষের ইতিবাচক আচরণ ও মূল্যবোধই সমাজে সবচেয়ে বেশি শৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পৌরনীতি ও সুশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে নাগরিক এবং নাগরিকতা-সংশ্লিষ্ট বিষয়াবলি।
জন্মভূমিকে সকল দেশের সেরা বলে সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে নিখাদ দেশপ্রেম ফুটে উঠেছে।
ক্ষমতা লাভের চেষ্টা না করে কেবল সরকারি সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান কাজ।
একনায়কতন্ত্রে একজন ব্যক্তি বা দল সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করে এবং বাধাহীনভাবে তার প্রয়োগ করে।
গ্রিক শব্দ 'Demos' অর্থ জনগণ; এর থেকেই Democracy বা জনগণের শাসন শব্দটি এসেছে।
ভোট দেওয়া ও নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া একজন নাগরিকের পবিত্র রাজনৈতিক অধিকার।
অন্যের ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতাই হলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সবচেয়ে বড় ভিত্তি।