ইংরেজি 'Liberty' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ 'Liber' থেকে, যার আভিধানিক অর্থ হলো স্বাধীন বা মুক্ত (Free)।
নাগরিকের জীবিকা নির্বাহ, ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি এবং আর্থিক নিরাপত্তার সাথে জড়িত অধিকারগুলোকে 'অর্থনৈতিক অধিকার' বলা হয়।
নিজের দেশের মাটি ও মানুষকে গভীর ভালোবাসার অনুভূতিই হলো দেশপ্রেম।
জনমত গঠন করা এবং বিভিন্ন স্বার্থকে একত্র করে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ।
বিখ্যাত 'রিপাবলিক' গ্রন্থের রচয়িতা হলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক প্লেটো।
একটি শক্তিশালী ও সুসংহত আইনি কাঠামোই নাগরিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত ও রক্ষা করে।
ধর্ম হলো জাতীয়তাবাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা একটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্যবোধ সৃষ্টি করে।
রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মান্য করে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা নাগরিকের অন্যতম প্রধান কর্তব্য।
আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা ও স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রধান প্রতিষ্ঠান হলো জাতিসংঘ।
ল্যাটিন শব্দ 'Natus' এর শাব্দিক অর্থ হলো 'জন্ম'।
অন্য বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়া বিচারকদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারাই হলো বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
ল্যাটিন শব্দ 'Civis' (নাগরিক) এবং 'Civitas' (নগররাষ্ট্র) থেকে 'Civics' শব্দটির উদ্ভব।
একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সৎ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির প্রয়োজন।
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ২০০৯ সালের ৫ এপ্রিল।
প্রাচীন গ্রিসের ক্ষুদ্র নগররাষ্ট্রগুলোই ছিল আধুনিক জাতিরাষ্ট্রের আদি বা প্রাথমিক রূপ।
১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা গৃহীত হওয়ার দিন স্মরণে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর দিবসটি পালিত হয়।
সরকারের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব বা বাজেট পাশ ও অনুমোদন করা আইনসভার অন্যতম প্রধান কাজ।
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স, স্পার্টা প্রভৃতি ছিল এক একটি স্বাধীন ও ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্র।
পিতা-মাতা ও শিক্ষককে শ্রদ্ধা করা মানুষের বিবেক ও মূল্যবোধ তাড়িত একটি নৈতিক কর্তব্য।
১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহীত হয়।